Text size A A A
Color C C C C
পাতা

অফিস সম্পর্কিত

নীলফামারী উত্তর জনপদের কৃষি নির্ভর সম্ভাবনাময় একটি জেলা। যা কৃষি পরিবেশ অঞ্চল ২,৩ ও ২৫ এর অর্ন্তগত ৷ ৬ (ছয়) টি উপজেলার সমন্বয়ে এ জেলা গঠিত৷ এ জেলার আয়তন ১৫৮১.৩১ বর্গকিলোমিটার। জেলার মোট জনসংখ্যা ১৯,০৭,৪৯৭ জন৷ এ জেলার মোট আবাদী জমির পরিমান ১,২৪,৯২২ হেক্টর৷ এর মধ্যে এক ফসলী জমির পরিমান ১০০৭৬ হেক্টর ,দুই ফসলী জমির পরিমাণ-৭৫৬৫১হেক্টর. তিন ফসলী জমির পরিমাণ-৩৮৬৪৫ হেক্টর এবং চার ফসলী জমির পরিমাণ-৫৫০হেক্টর৷ মোট ফসলী জমির পরিমান ২,৭৯,৪৪১ হেক্টর৷ ফসলের নিবিড়তা ২৩৫%৷ মাটির প্রকৃতি দোঁয়াশ ও বেলে দোঁয়াশ ৷ মোট ফসলী জমির মধ্যে ১,১২,০০০ হেক্টর রোপা আমন, ৮২,০০০ হেক্টর বোরো এবং অবশিষ্ট জমিতে আলু ,গম, ,ভূট্টা, তামাক, পাট, মসলা, তেল ও এবং শাক-সবজি, চাষ করা হয়৷এ জেলায় ৩,৮৩,৫৩৯ টি কৃষি পরিবার রয়েছে,৷ বড়, মাঝারী, ক্ষুদ্র, প্রান্তিক এবং ভুমিহীন কৃষকদের হার যথাক্রমে- ৩.৬১%, ১১.০১%, ১৯.০৫%, ৩৮.৮৮% ও ১৯.৮৫%৷ এ ফসল আবাদের ক্ষেত্রে সকল শ্রেনির কৃষকদের ভুমিকা রয়েছে৷ এ জেলায় যারা প্রত্যক্ষভাবে কৃষির সঙ্গে জড়িত, খাদ্য যোগানের ক্ষেত্রে তাদের যথেষ্ট ভুমিকা রয়েছে৷ কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তা ও মাঠ কর্মীদের কারিগরী সহযোগিতা এবং কৃষকদের অক্লান্ত পরিশ্রমের ফলশ্রুতিতে ১৯৯২-৯৩ সন থেকে আজ পর্যন্ত্ জেলা খাদ্য উদ্বৃত্তের ধারাকে অব্যাহত রেখেছে৷ উন্নয়ন কর্মকান্ডের সাথে সাথে সঠিকভঅবে জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ, শস্য বহুমূখীকরণ কর্মসূচি গ্রহণ ওবাস্তবায়নের কাজ চলছে। এমতাবস্থায় এই জেলায় সাধারন জনগনের স্থানীয় সম্পদের সুষ্ঠ ব্যবহার নিশ্চিত করে আধুনিক প্রযুক্তির সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে বাস্তবমুখী পরিকল্পনা গ্রহণ ও বাস্তবায়ন করে   গ্রামীন মানুষের আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন সম্ভব বলে আমারা বিশ্বাস করি৷

ভুমি ক্ষয় রোধ, মাটির স্বাস্থ্য রক্ষা, নির্মল পরিবেশ বজায় রাখা, মানব স্বাস্হের উন্নয়নে ফলদ, বনজ ও ঔষধী গাছের চারা রেপনে কৃষক উদ্বুদ্ধকরন কর্মসূচি অব্যাহত রাখা হয়েছে। তাছাড়া দানা শস্যের মধ্যে ভূট্টা চাষ বৃদ্ধির প্রচেষ্টা চলছে এবং  তার পাশাপাশি ডাল জাতীয় ফসলসহ শাকসবজি, ফল জাতীয়, তৈল ও মসলা জাতীয় এবং দানা জাতীয়  ফসলের এলাকা ও উৎপাদন বৃদ্ধির জন্য বিশেষ কার্যক্রম গ্রহণ করা হয়েছে। চাষী পর্যায়ে বিভিন্ন ফসলের বীজ উৎপাদন ও সংরক্ষণের ব্যবস্থা গ্রহণের মাধ্যমে স্থানীয়ভাবে বীজ সংকট নিরোসনের জোড় প্রচেষ্টা চালানো হচ্ছে৷ এছাড়াও সরিষা ক্ষেতে মৌচাষ সম্প্রসারণ, বোরো আবাদ কমিয়ে কম সেচের ফসল যেমন, গম, ভূট্টা, পাট এবং আউশ ফসলেল আবাদ বৃদ্ধিকরন৷ সুষম সারের ব্যবহার নিশ্চিতকরনসহ ধাদ্য নিরাপত্তায় জৈব বালাইনাশক ও ফেরোমন ফাঁদ ব্যবহার বৃদ্ধিকরণ৷

ছবি